ক্লাউড কম্পিউটিং একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডেটাবেইস, নেটওয়ার্কিং, সফটওয়্যার, অ্যানালিটিক্স এবং অন্যান্য কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে। সহজভাবে বললে, আগে যেসব তথ্য বা সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল করে ব্যবহার করতে হতো, এখন সেগুলো আপনি অনলাইনেই ব্যবহার করতে পারেন—এটাই ক্লাউড কম্পিউটিং।
এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো স্কেলেবিলিটি—আপনার ব্যবসা বা প্রজেক্ট যেভাবে বাড়বে, ঠিক সেভাবে আপনি প্রয়োজন অনুযায়ী ক্লাউড রিসোর্স বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। এছাড়া, এতে খরচ কম হয়, যেহেতু আপনাকে কোনো হার্ডওয়্যার কিনতে হয় না। আপনি যতটুকু ব্যবহার করেন, ততটুকুরই দাম দেন (Pay-as-you-go model)।
Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud ইত্যাদি বড় বড় কোম্পানি ক্লাউড সার্ভিস সরবরাহ করে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এখন ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং ই-কমার্সসহ প্রায় সব সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মানুষ এটি ব্যবহার করে সার্ভার, স্টোরেজ, সফটওয়্যার এবং ডেটাবেইস পরিচালনা করছে অনলাইনের মাধ্যমে। আমাদের প্রতিদিনের কাজেও এর উপস্থিতি চোখে পড়ে—যেমন Gmail, Google Drive, Dropbox ইত্যাদি সব ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা। এই সেবাগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজেই ফাইল সংরক্ষণ, শেয়ার এবং একাধিক ডিভাইস থেকে অ্যাক্সেস করতে পারছে।
আজকের প্রযুক্তিনির্ভর দুনিয়ায় ক্লাউড কম্পিউটিং একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে।