ক. অম্বর
খ. মেদিনী
গ. চিকুর
ঘ. অম্বু
অম্বু
বাংলা ভাষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল ব্যবহৃত শব্দ হলো ‘জল’। মানবজীবন, প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে জলের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। পানীয় হিসেবে, কৃষিতে, নদী-নালা, সমুদ্র কিংবা সাহিত্য—সব ক্ষেত্রেই ‘জল’ শব্দটির ব্যবহার ব্যাপক। তবে একই অর্থ প্রকাশ করার জন্য বাংলায় ‘জল’-এর একাধিক সমার্থক শব্দ রয়েছে।
ক. সংঘর্ষ
খ. তাগাদা
গ. মীমাংসা
ঘ. কিছু একটা
মীমাংসা
ক. একের জন্য অপরের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়া
খ. প্রসঙ্গ ছেড়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা
গ. ক্ষুদে ব্যক্তির বড়াই
ঘ. কাজ আরম্ভ করার সাথে সাথে ফলের প্রত্যাশা
প্রসঙ্গ ছেড়ে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা
বাংলা ভাষায় প্রবাদ-প্রবচন মানুষের দৈনন্দিন অভিজ্ঞতা, আচরণ ও সামাজিক বাস্তবতাকে সংক্ষেপে ও তীক্ষ্ণভাবে প্রকাশ করে। তেমনই একটি বহুল প্রচলিত প্রবাদ হলো ‘ধান ভানতে শিবের গীত’। এই প্রবাদটি সাধারণত অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা বা মূল বিষয় ছেড়ে অন্য প্রসঙ্গে চলে যাওয়ার অর্থ প্রকাশ করে।
ক. অনুরোধ করা
খ. কন্ঠরুদ্ধ হওয়া
গ. আদর করা
ঘ. পছন্দ হওয়া
কন্ঠরুদ্ধ হওয়া
‘ধরা’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো কিছুকে হাত দিয়ে ধরে ফেলা। কিন্তু ‘গলা ধরা’ বাক্যে গলাকে কেউ বাস্তবে ধরে রাখছে—এমন অর্থ বোঝানো হয়নি। এখানে বোঝানো হয়েছে কণ্ঠস্বর বসে যাওয়া, স্বর ভেঙে যাওয়া বা কথা বলতে কষ্ট হওয়া।
ক. হাত করা
খ. হাত গুটান
গ. হাত থাকা
ঘ. হাত আসা
হাত গুটান
বাংলা ভাষায় শব্দ ও বাগধারার সঠিক প্রয়োগ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘কার্যবিরতি’ বলতে সাধারণত কাজ বন্ধ রাখা বা কাজ থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়াকে বোঝায়। বাংলা বাগধারায় এই অর্থটি প্রকাশ করার জন্য ‘হাত গুটানো’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
ক. মাথা ঘামান
খ. মাথাব্যথা
গ. মনে ধরা
ঘ. মাথা দেওয়া
মাথা দেওয়া
মাথা দেওয়া: এর সাধারণ অর্থ জীবন দেওয়া হলেও, বাগধারা হিসেবে এটি ‘দায়িত্ব গ্রহণ’ বা কোনো কিছুর ভার নিজের কাঁধে নেওয়া অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন- “এ কাজের জন্য কেউ মাথা দিতে চাইছে না।
ক. অসারের তর্জন গর্জন সার
খ. আসলে মুষল নেই, ঢেঁকি ঘরে চাঁদোয়া
গ. কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন
ঘ. ঘুঘু দেখেছো ফাঁদ দেখনি
অসারের তর্জন গর্জন সার
অসারের তর্জন গর্জন সার: এই প্রবাদটির মূল অর্থ হলো, যার সারবস্তু বা গুণ নেই, তার হাঁকডাকই বেশি। অর্থাৎ, গুণহীন বা অযোগ্য ব্যক্তিরা নিজেদের জাহির করার জন্য অহেতুক আস্ফালন করে বা চিৎকার করে। এটিই প্রশ্নে উল্লেখিত ‘গুণহীনের ব্যর্থ আস্ফালন’ ভাবটি সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
ক. আকাশ- কুসুম
খ. অমাবস্যার চাঁদ
গ. একাদশে বৃহস্পতি
ঘ. অরণ্যে রোদন
অমাবস্যার চাঁদ
‘দুর্লভ বস্তু’ বা যা সহজে পাওয়া যায় না, এমন কিছু বোঝাতে ‘সোনার হরিণ’ বাগধারাটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
ক. অপসারণ
খ. অপ্রসারিত
গ. আকুঞ্চন
ঘ. কুঞ্চিত
আকুঞ্চন
বাংলা শব্দভাণ্ডারে ‘প্রসারণ’ শব্দটির অর্থ হলো বিস্তার লাভ করা, ছড়িয়ে পড়া বা মেলে ধরা। এর ঠিক বিপরীত অবস্থা বোঝাতে ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দটি হলো ‘আকুঞ্চন’।
ক. পুকুরচুরি
খ. বালির বাঁধ
গ. ভরাডুবি
ঘ. মগের মুল্লুক
ভরাডুবি
‘সর্বনাশ’ বুঝাতে বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত ‘ভরাডুবি’ কিংবা ‘ভিটায় ঘুঘু চরানো’ বাগধারাটি প্রয়োজন হয়। ভরাডুবি: এর আক্ষরিক অর্থ হলো পণ্যবাহী বা যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে যাওয়া। তবে বাগধারা হিসেবে এটি সম্পূর্ণ ধ্বংস বা ‘সর্বনাশ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। (যেমন: ব্যবসায় তার ভরাডুবি হয়েছে)। ভিটায় ঘুঘু চরানো: এর অর্থ হলো সমূলে ধ্বংস করা বা চরম সর্বনাশ করা। এছাড়াও ‘কপাল পোড়া’ বা ‘চুলায় যাওয়া’ বাগধারাগুলোও অনেক ক্ষেত্রে সর্বনাশ বা চরম ক্ষতি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
ক. অলক্ষ্মীর দশা
খ. অগ্নি পরীক্ষা
গ. অদৃষ্টের পরিহাস
ঘ. আটকপালিয়া
অদৃষ্টের পরিহাস
‘বিধির বিড়ম্বনা’ বা ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা বুঝাতে বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত ‘কপালের ফের’ বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। কপালের ফের: এর মূল অর্থ হলো ভাগ্যের বিরূপতা, দুর্ভাগ্য বা নিয়তির নিষ্ঠুরতা। ভাগ্যের কারণে মানুষের জীবনে হঠাৎ কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসলে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়। (যেমন: কপালের ফেরে কোটিপতি আজ পথের ভিখারি)। অদৃষ্টের পরিহাস: এটিও ‘বিধির বিড়ম্বনা’ বা ভাগ্যের নির্মমতা বোঝাতে সমার্থক শব্দ বা বাগধারা হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
ক. অহিনকুল সম্বন্ধ
খ. আদায় কাঁচকলায়
গ. তাসের ঘর
ঘ. শরতের শিশির
তাসের ঘর
ক. চুরি করা
খ. এলোমেলো করা
গ. নষ্ট করা
ঘ. সস্তা করা
সস্তা করা
ক. অন্তঃসারশূন্য অবস্থা
খ. একের জন্য অন্যের চিন্তা
গ. সামান্য ব্যাপারে বৃহৎ কিছু
ঘ. দেখতে যেমন মোটা খেতেও তেমনি ভালো
অন্তঃসারশূন্য অবস্থা
‘হায়রে আমড়া কেবল আঁটি আর চামড়া’—এই প্রবাদটির সঠিক অর্থ হলো ‘অন্তঃসারশূন্য’ বা যার বাইরেটা ঠিকঠাক মনে হলেও ভেতরে কোনো সারবস্তু নেই।
ক. মাথাধরা
খ. মাথাব্যথা
গ. মাথা দেওয়া
ঘ. মাথা ঘামান
মাথাব্যথা
ক. তাস খেলার ঘর
খ. ক্ষণস্থায়ী বস্তু
গ. দীর্ঘস্থায়ী
ঘ. পূর্ণ স্থায়ী
ক্ষণস্থায়ী বস্তু
ক. অলক্ষ্মীর দশা
খ. অগ্নিপরীক্ষা
গ. অদৃষ্টের পরিহাস
ঘ. হতভাগ্য
হতভাগ্য
ক. কানকাটা
খ. জিলাপির প্যাঁচ
গ. চিনির বলদ
ঘ. ঠোঁটকাটা
জিলাপির প্যাঁচ
ক. অক্কা পাওয়া
খ. কেউকেটা
গ. কান পাতলা
ঘ. কেতাদুরস্ত
অক্কা পাওয়া
ক. নিতান্ত অলস
খ. শুরুতে ভুল
গ. মূর্খ
ঘ. সামান্য
নিতান্ত অলস
ক. ভিজে বিড়াল
খ. ভুশন্ডির কাক
গ. হাড় হাভাতে
ঘ. ফসল দালালি
ভিজে বিড়াল
ক. দা- কুমড়া
খ. সাপে- নেউলে
গ. হাড় হাভাতে
ঘ. দহরম মহরম
দহরম মহরম
ক. অসুখ
খ. চোখের কাজল
গ. শত্রু
ঘ. বন্ধু
শত্রু
ক. অশনি
খ. ব্যোম/অভ্র/অম্বর
গ. বিভাবরী
ঘ. নীলাম্বু
ব্যোম/অভ্র/অম্বর
ক. ভীষণ শত্রুতা
খ. সামান্য লোক
গ. উঠে পড়ে লাগা
ঘ. ভীষণ চক্রান্ত
ভীষণ শত্রুতা
আরো দেখুন