রিখটার স্কেল (Richter Scale) হলো একটি মানক মানদণ্ড, যা ভূমিকম্পের তীব্রতা বা শক্তি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি প্রথমে ১৯৩৫ সালে চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার নামের একজন আমেরিকান সিসমোলজিস্ট দ্বারা প্রবর্তিত
ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন ধাতব পদার্থ বিদ্যমান, তবে তাদের প্রচলন বা প্রাচুর্য অনুযায়ী কিছু ধাতু বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে প্রচলিত ধাতব পদার্থ হলো লোহা (Iron, Fe)। লোহা প্রাকৃতিকভাবে অনেক খনিজের আকারে
দুধে কোন এসিড আছে তা জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যারা বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করো বা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছ। দুধ একটি আদর্শ খাবার হিসেবে পরিচিত হলেও
কেন মিয়োসিস বিভাজন গুরুত্বপূর্ণ তা জীববিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে তোমার জন্য জানা খুবই জরুরি, কারণ এটি প্রজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। তুমি যখন কোষ বিভাজন নিয়ে পড়বে, তখন দেখবে
মাইটোসিসের ফলে কোন জীবের দৈহিক বৃদ্ধি হয় তা বুঝতে হলে তোমাকে প্রথমে কোষ বিভাজনের মূল প্রক্রিয়াটি জানতে হবে। তুমি যখন দেখবে একটি ছোট চারাগাছ বিশাল মহীরুহে পরিণত হচ্ছে কিংবা একটি
‘শিমুল ফুলের পরাগায়ন’ পদ্ধতিটি মূলত পক্ষিপরাগী (Ornithophily) ধরনের। প্রকৃতিতে পরাগায়নের মাধ্যমের ওপর ভিত্তি করে ফুলকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। শিমুল ফুলের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য একে পক্ষিপরাগী করে তুলেছে: ১.
কোন পর্যায়ে ১টি কোষ ২ ভাগ হয়ে যায় এটি জীববিজ্ঞান বা কোষ বিভাজন অধ্যায়ের একটি অত্যন্ত মৌলিক প্রশ্ন। তুমি যখন কোষ বিভাজনের চক্রটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবে, তখন দেখবে একটি নির্দিষ্ট
তন্তুগুলো অদৃশ্য হয়ে যায় কোন পর্যায়ে তা জানার মাধ্যমে তুমি কোষ বিভাজনের শেষ ধাপ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবে। তুমি যখন মাইটোসিস কোষ বিভাজন পর্যবেক্ষণ করবে, তখন দেখবে প্রোফেজ পর্যায়ে যে
এনাফেজ পর্যায়ে সেন্ট্রোমিয়ার কয় ভাগে বিভক্ত হয় তা কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তুমি যখন মাইটোসিস বিভাজনের গতি পর্যায় বা এনাফেজ লক্ষ্য করবে, তখন দেখবে প্রতিটি ক্রোমোজোমের মাঝখানে
কোন পর্যায়ে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন সৃষ্টি হয় তা কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার সমাপ্তি বোঝার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তুমি যখন মাইটোসিস বিভাজনের শেষ পর্যায়টি পর্যবেক্ষণ করবে, তখন দেখবে কোষটি তার নিউক্লিয়াসকে পুনর্গঠন করার
প্রোফেজ পর্যায়ে ক্রোমোজম কী অবস্থায় থাকে তা বুঝতে হলে তোমাকে কোষ বিভাজনের শুরুর ধাপটি খুব ভালো করে খেয়াল করতে হবে। তুমি যখন মাইটোসিস বিভাজনের প্রথম পর্যায় বা প্রোফেজ লক্ষ্য করবে,
মিয়োসিস বিভাজনে কতটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয় তা বুঝতে হলে তোমাকে কোষ বিভাজনের বিশেষ এই প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে জানতে হবে। তুমি যখন মিয়োসিস বিভাজন পর্যবেক্ষণ করবে, তখন দেখবে এটি মাইটোসিসের মতো
কোন পর্যায়ে স্পিন্ডল যন্ত্র সৃষ্টি হয় তা কোষ বিভাজনের যান্ত্রিক প্রক্রিয়া বোঝার জন্য অত্যন্ত জরুরি। তুমি যখন মাইটোসিস বা মিয়োসিস বিভাজনের শুরুর দিকের পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করবে, তখন দেখবে কোষের দুই
আঁইশাকার আবরণী টিস্যুর কাজ মূলত বিভিন্ন অঙ্গের প্রতিরক্ষা এবং অত্যন্ত পাতলা স্তরের মাধ্যমে ছাঁকন ও ব্যাপন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। তুমি যখন মানবদেহের কোষীয় গঠন লক্ষ্য করবে, তখন দেখবে এই টিস্যুর
প্রাণী টিস্যু চার রকম হয়ে থাকে যখন আমরা কোষের সংখ্যা, গঠন এবং তাদের কাজের প্রকৃতি বিবেচনা করি। তুমি যখন প্রাণিদেহের অভ্যন্তরীণ গঠন নিয়ে পড়াশোনা করবে, তখন দেখবে যে প্রতিটি টিস্যুর
উদ্ভিদ অঙ্গের গৌণবৃদ্ধির সময় সেকেন্ডারি জাইলেম ও ফ্লোয়েম উৎপন্ন হয় যা গাছের ব্যাস বা স্থূলতা বৃদ্ধিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। তুমি যখন একটি বহুবর্ষজীবী কাষ্ঠল উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করবে, তখন দেখবে
কোন জীবিত কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না এটি জীববিজ্ঞান পাঠের একটি অত্যন্ত কৌতূহলোদ্দীপক প্রশ্ন কারণ আমরা জানি নিউক্লিয়াস কোষের প্রাণকেন্দ্র। তবে তুমি যখন মানুষের রক্তকণিকা বা উদ্ভিদের পরিবহন কলা লক্ষ্য করবে,
সঙ্গীকোষ থাকে না কোন উদ্ভিদের ফার্ন ও নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফ্লোয়েম টিস্যুতে। তুমি যখন উদ্ভিদের সংবহন কলা নিয়ে পড়বে, তখন দেখবে উন্নত গুপ্তবীজী উদ্ভিদের ফ্লোয়েমে সিভনলের পাশে সঙ্গীকোষ থাকলেও আদি বা
উদ্ভিদে যান্ত্রিক শক্তি যোগায় স্ক্লেরেনকাইমা টিস্যু যা গাছকে প্রতিকূল পরিবেশে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে এবং ঝড়-বৃষ্টির আঘাত সইতে সাহায্য করে। তুমি যখন কোনো গাছের শক্ত কাণ্ড বা ফলের কঠিন আবরণ
মাইটোকন্ড্রিয়ার মূল কাজ হল শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোষের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি বা এটিপি (ATP) উৎপাদন করা। তুমি যখন কোষের কার্যক্রম লক্ষ্য করবে, তখন দেখবে শরীরের প্রতিটি কাজের জন্য যে শক্তির
‘আদিকোষী জীব’ (যেমন: ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া)-এর নিউক্লিওবস্তু কোনো আবরণী বা নিউক্লিয়ার মেমব্রেন দ্বারা বেষ্টিত থাকে না, তাই তা সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে। প্রকৃতকোষী জীবের (Eukaryotes) মতো এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। এদের
Copyright © 2024 PathokBD.com