ঢাকা জেলা বাংলার একটি প্রাচীন স্থান, যা বেশ সুপ্রসিদ্ধ। এই জেলা শহরটি প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল আমলে। ১৬১০ সালে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় আসেন। সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। জাহাঙ্গীরনগর নামটি প্রশাসনিকভাবে সচল হলেও ডাকনাম হিসেবে ‘ঢাকা’ই থেকে যায়।
অবস্থান ও আয়তনঃ
ঢাকা জেলা উত্তর ২০°১৪’ থেকে ২৪°২০’ পর্যন্ত ও পূর্ব দ্রাঘিমা ৮৯°৪৫’ থেকে ৯০°৫৯’ পর্যন্ত বিস্তৃত। বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদীর মিলনস্থল হতে আট মাইল উত্তরে ঢাকা জেলা অবস্থিত। ঢাকা হতে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ১৮৭ মাইল উত্তর পূর্ব। ঢাকা জেলার আয়তন ২৭৮২ বর্গমাইল। ২০১১ আদমশুমারী অনুযায়ী, জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষ।
প্রাকৃতিক বিবরণঃ
ঢাকার পশ্চিমের অধিকাংশ স্থানই উঁচু। ঢাকা হতে মধুপুর পর্যন্ত দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০ মাইল। পূর্বে নন্দিনা হতে পশ্চিমে চামতারা পর্যন্ত দৈর্ঘ্য ৩০ মাইল। এ স্থানের মাটির সাথে প্রচুর লোহার সংমিশ্রণ রয়েছে। এ অঞ্চলের নদীগুলো বেশ ছোট। তাই এই অঞ্চলের ভূমি অধিকাংশই অনুর্বর। পূর্ব ঢাকার অধিকাংশ স্থানই প্রায়সময়ই পানিতে ডুবে যায়। ঢাকার উত্তরাঞ্চলের মাটি অনেকটা লালচে। এই অঞ্চলের মাটি আবার বেশ উর্বর। বর্ষার প্লাবনে পলিমাটি আসার কারণে উত্তরাঞ্চলের মাটিতে কৃষিকাজ ভালো হয়। ঢাকার দক্ষিনাঞ্চলের মাটিতে চুনের পরিমাণ বেশি। তাই ব্রম্মপুত্র অপেক্ষা পদ্মার পানি কিছুটা ঘোলাটে।
ঢাকার নদনদীঃ
ঢাকা জেলার মধ্য দিয়ে অনেক নদী প্রবাহিত হয়েছে। এজন্য ঢাকা জেলাকে নদীমাতৃক স্থান বলা হয়। প্রধান নদীগুলো হলো – পদ্মা, ধলেশ্বরী, মেঘনাদ, ইছামতী ইত্যাদি। ক্ষুদ্র নদীর মধ্যে রয়েছে – তুরাগ, বংশী, সিংসহ, বালু, এলামজানী, তুলসীখালী, ইলিসমারী প্রভৃতি।
বনাঞ্চলঃ
ঢাকা জেলার অন্যতম বন্য এলাকা হলো উত্তরাঞ্চল। এর পূর্ব ভাগ ভাওয়ালের গড় নামে ও পশ্চিম ভাগ কাশিমপুরের গড় নামে পরিচিত। টাঙ্গাইল মহকুমার বেলাব নামক স্থান থেকে এই বনের পরিসর প্রায় ৪৫ মাইল। ঢাকা শহর থেকে এই বিশাল বনভূমি উত্তরে ৮০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। উত্তর ও পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয় আড়িয়াল খাঁ এবং দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা।
কৃষিঃ
ঢাকা জেলার মাটিকে অবস্থা ভেদে চার ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যথা – ১. ভিটিজমি, ২. নালজমী, ৩. আউসজমি, ৪. বোরোজমু। এছাড়া আরোও তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা – ১. পাহাড়িয়া, ২. দোয়াসা, ৩. চরা। ভিটিজমিতে ঘর – বাড়ি নির্মাণ, গরু – ছাগল পালনের কাজ হয়ে থাকে। আর নালজমী চাষাবাদযোগ্য। এখানে বর্ষায় নিম্নভূমিতে আমন ধান জন্মে। খাসাধান্য ও রোয়াধান্য উৎপাদনের জন্যও এই জমি বেশ উপযোগী। অপরদিকে আউশজমি নালজমী হতে বেশ উঁচু এবং আউস ধান উৎপাদনের জন্য ভালো। বোরোজমির মধ্যে কিছু জমি রয়েছে, যা কর্দমাক্ত এবং লাঙল দিতে হয় না। আর কোথাও ঝিল ও পার্বত্য নদীর কিনারাবর্তী জমিও রয়েছে। এখানে বোরো ধানের ভালো চাষ হয়। ধান ছাড়াও আরও অন্যান্য কৃষিজ দ্রব্যাদিও উৎপাদিত হয়ে থাকে। পাটের সার, তুলা, ইক্ষু, গম, পিয়াজ, রসুন, কচু, তরমুজ, আলু প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
শিল্পঃ
শিল্পগৌরবে ঢাকা জেলার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে। উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে ঢাকাইয়া শিল্প বেশ সাহায্য করেছে। অন্যতম প্রধান শিল্পগুলো হলো – বস্ত্রশিল্প, শঙ্খশিল্প, সাবানশিল্প, লৌহশিল্প, কাচশিল্প, টিন, পিতল ও তাম্র শিল্প, কাগজ শিল্প প্রভৃতি। প্রাচীনকাল হতে মসলিন, মখমল, হাতে বোনা জামদানি ও তাঁতের শাড়ি নিয়ে সারা বাংলা এমনকি সারাবিশ্বে বেশ মাতামাতি, যা বাংলা হতে ঢাকার কারিগরদের দক্ষ হাতে তৈরি।
তুলা, কার্পাস তুলা, বয়ন, সুতা, রঙ প্রভৃতি হলো দেশীয় কাপড়ের কাচামাল। এগুলোও বেশিরভাগ ঢাকায়ই তৈরি করা হয়। এছাড়া ঢাকা শহরের ঠাটারি ভাজারে মহরাল, ধামরাই গ্রামে পিতলের দ্রব্যাদি। আশেপাশের বেশকিছু অঞ্চলে তামা ও কাসার তৈজসপত্র উৎপন্ন ও বিক্রি হয়ে আসছে। বহুকাল থেকে ঢাকাতে হস্তীদন্ত বা হাতির দাঁতের দ্বারা নির্মিত শাঁখা ও চুড়ি তৈরি হয়ে আসছে। বিক্রমপুর ও চন্দ্রপ্রতাপের কুমারগণ মাটির বিভিন্ন তৈজসপত্র, এমনকি প্রতিমা নির্মাণে বেশ দক্ষ। সেই সাথে চুনকাম করার জন্য ঢাকার রাজমিস্ত্রীদেরও বেশ নামডাক।
বাণিজ্য ও বন্দরঃ
ঢাকা জেলা বেশ কয়েকটি নদী নিয়ে গড়ে উঠেছে বলে এটি বাণিজ্যের পক্ষে বেশ অনুকূল। ত্রিপুরা ও আসাম হতে পাট, গাজীপুর হতে চিনি, রংপুর হতে তামাক, ময়মনসিংহ হতে চামড়া, কলকাতা হতে সুতা, মদ, কেরোসিন, সোনা, রূপা প্রভৃতি প্রসিদ্ধ বন্দরে আমদানি হয়ে থাকে। এছাড়া পাট, সাবান, পনির, চামড়া, ঢাকাই বস্ত্রাদি ইত্যাদি ঢাকা হতে বিভিন্ন প্রদেশে রপ্তানি হয়ে থাকে। মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ এর তেল বেশ ভালো এবং মীরকাদিমের পান পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহে ব্যাপক হারে রপ্তানি হয়। খাল ও নদীর পাড়ে প্রসিদ্ধ বন্দরগুলো অবস্থিত। প্রতি সপ্তাহে এখানে হাটও বসে।
যমুনা নদীর তীরে জাফরগঞ্জে পাট ও লবণের আনা – নেওয়া চলে। পদ্মার কাছে কাঞ্চনপুরে পাট ও তুলার আমদানি – রপ্তানি চলে। পদ্মাতীরে আরিচা খ্যাত সুতা ও বস্ত্রের রপ্তানির জন্য। মূলত নারায়ণগঞ্জ, মোহনগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, লৌহজং ও পদ্মা তীরবর্তী বন্দরগুলো ঢাকা বিভাগের প্রধান আমদানি – রপ্তানির স্থল। আরোও রয়েছে – মেঘনাদ তীরে রায়পুরা ও ভৈরববাজার, ইলিসমারি, ইছামতী ও তুলসীখালী নদীসমূহের মিলনস্থলে আমদানি – রপ্তানির ক্ষেত্রে বেশ প্রসিদ্ধ।
মেলাঃ
ঢাকা জেলার বহুস্থানে সাময়িক মেলা বসে থাকে। ধলেশ্বরী নদীর তীরে কার্তিক বারুণীর মেলা সারা বাংলাদেশ জুড়ে বেশ খ্যাত। ময়মনসিংহ, পাবনা, সুন্দরবন, ফরিদপুর অঞ্চল হতে ক্রয় – বিক্রয়ের জন্য ব্যাপক মানুষ এই। মেলায় উপস্থিত হয়। প্রতি বছর অষ্টমীর দিন ব্রম্মপুত্রের তীরে অশোকাষ্টমীর মেলা বসে, যা দুই থেকে তিন দিনের জন্য স্থায়ী হয়। এই মেলার আরেক নাম চৈত্রবারুণী। এছাড়া শ্রীকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা উপলক্ষে লৌহজং গ্রামে বিশাল মেলা জমে। মানিকগঞ্জে দোলপূর্ণিমা ও শিবরাত্রি উপলক্ষে মেলা বসে, যা প্রায় পনেরো দিন স্থায়ী থাকে। আরও রয়েছে উয়ারীর মেলা, যা প্রতি দুই বছর পর পর মাঘ নাসে সাত দিনের জন্য বসে এবং এখানে দিন – রাত একইভাবে কীর্তন চলতে থাকে।
দূর্যোগঃ
বাংলাদেশ একটি দূর্যোগ প্রবণ দেশ। এর মধ্যবর্তী ঢাকা জেলায়ও প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট বিভিন্ন ধরনের দূর্যোগ প্রায়শয়ই সংঘটিত হয়ে থাকে। ভূ – অভ্যন্তরে থাকা টেকটোনিক প্লেটের বিভিন্ন কারণে বিচ্যুতি ঘটতে পারে এবং তা থেকেই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়,যা একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ। ভূমিকম্প ছাড়াও আরোও দু’টি প্রাকৃতিক দূর্যোগ হলো অনাবৃষ্টি, খরা। বসবাসের জন্য এবং আসবাবপত্র তৈরির জন্য শহরে নির্বিচারে গাছ কাটা হয়। ফলে বৃষ্টিপাত কমে আসে, খরা দেখা যায়। এতে করে মাঠ – ঘাট ফেটে চৌচির হয়ে যায়, ফসল ভালো হয় না। নদীর পানি কোনো কারণে বেড়ে গেলে, বিশেষত বর্ষায় বন্যা ও নদীভাঙন দেখা যায়। এসকল প্রাকৃতিক দূর্যোগ ছাড়াও বেশকিছু মানবসৃষ্ট দূর্যোগও ঢাকা শহরে বেশি ঘটে থাকে। যেমন – অগ্নি কাণ্ড, সড়ক দূর্ঘটনা, দূর্ভিক্ষ প্রভৃতি।
ঢাকা জেলা এর প্রাচীন কীর্তি
ঢাকার উল্লেখযোগ্য পুরান কীর্তি সমূহের মধ্যে রয়েছে – লালবাগ কেল্লা, পরিবিবির মাজার, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, চক মসজিদ, লালবাগ মসজিদ, ষাট গম্বুজ মসজিদ, রাজাবাড়ির মাঠ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
১। লালবাগ কেল্লা
লালবাগ কেল্লা সতেরো শতকে মোঘলদের আমলে নির্মিত হয়েছিল, যার অপর নাম আওরঙ্গবাদ কেল্লা। ঢাকার দক্ষিণ – পশ্চিমাঞ্চলের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে এটি অবস্থিত। এই মোঘল দূর্গটি আজও অসমাপ্ত এবং বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। যা মার্বেল পাথর, কষ্টি পাথর এবং রঙ বেরঙের টালি দ্বারা নির্মিত। প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক এখানে আসেন।
২। পরীবিবির সমাধি
এটি মোঘল সুবেদার শায়েস্তা খানের কন্যা পরীবিবির সমাধি, যা বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র ইমারত, যেখানে কষ্টি পাথর, মার্বেল পাথর ও বিভিন্ন রঙ বেরঙের ফুল – পাতা – লতার টালির সাহায্যে নয়টি কক্ষ অলংকৃত হয়েছে। এটি বর্গাকৃতির এবং ২০.২০ মিটারের, যা ১৬৮৮ সালেরও আগে নির্মিত। তবে অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে, এখানে পরীবিবির মরদেহটি আর নেই।
৩। ছোট কাটরাঃ
ছোট কাটিরা বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নিদর্শন, যা ১৬৬৩ সাল থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৬৬৪ সালে এর কাজ শেষ হয়। মূলত শায়েস্তা খানের আমলে এর কাজ শুরু। এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। ১৮১৬ সালে খ্রিস্টান ধর্ম প্রচারক লিওনার্দো প্রথম এখানে ইংরেজি স্কুল খুলেছিলেন। বর্তমানে একটি ভাঙা ইমারত ছাড়া ছোট কাটরায় আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।
৪। বড় কাটরা
বড় কাটরা মোঘল আমলের একটি ইমারত, যা ঢাকায় চকবাজারের দক্ষিণে অবস্থিত। এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৪৪ সালে এবং শেষ হয় ১৬৪৬ সালে। শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে বড় কাটরা নির্মিত হয়। তখন এটি মুসাফিরখানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল। বর্তমানে এটি মাদ্রাসায় তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এক সময় এই স্থাপত্যটি বেশ সুন্দর ছিল। বর্তমানে সেখানে একটি ভাঙা ফটক দাঁড়িয়ে আছে।
৫। লালবাগ মসজিদ
ঢাকার লালবাগ কেল্লার কাছেই লালবাগ শাহী মসজিদ অবস্থিত। ১৭০৩ সালে মসজিদটি নির্মিত হয়। এর আরেক নাম ফররুখ সিয়ার মসজিদ। এটি লালবাগ দূর্গের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত।
৬। সাত গম্বুজ মসজিদ
ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ। এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ তিনটি গম্বুজের কারণে মসজিদের নাম হয়েছে ‘সাতগম্বুজ মসজিদ’। এই মসজিদটি মুঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন। ১৬৮০ সালে মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করান। মসজিদটি লালবাগ দুর্গ মসজিদ এবং খাজা আম্বর মসজিদ এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
৭। আহসান মঞ্জিল
আহসান মঞ্জিল পুরান ঢাকার ইসলামপুরের কুমারটুলী এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত। এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারীর সদর কাচারি। বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামানুসারে এর নামকরণ করেন। ১৮৫৯ খ্রিষ্টাব্দে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে সমাপ্ত হয়। ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়। আহসান মঞ্জিল কয়েকবার সংস্কার করা হয়েছে। সর্বশেষ সংস্কার করা হয়েছে অতি সম্প্রতি। এখন এটি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত একটি জাদুঘর।
আয়তনের দিক থেকে ঢাকা বিভাগের বৃহত্তম জেলা হলো টাঙ্গাইল জেলা এবং ক্ষুদ্রতম জেলা হলো নারায়ণগঞ্জ জেলা। ইট – পাথরের শহর হলো আমাদের বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর। একটু নতুন আশার আলো নিয়ে, একটি সুন্দর জীবনের আশায় গ্রাম হতে প্রতিদিন শত শত মানুষ নতুন কর্মসংস্থানের খোঁজ এ ঢাকায় আসে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিজের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে, আবার কেউ সর্বস্ব হারিয়ে নিরাশ হয়ে ফিরে যায় পুরানো ঠিকানায়।