অনলাইন থেকে ইনকাম করার সেরা ১০টি পদ্ধতি সম্পর্কে জানব । অনলাইন থেকে ইনকাম করা আগের তুলনায় এখন আরো সহজ হয়েছে। যত সময় যাচ্ছে আধুনিক দুনিয়ায় এই পথ আরো সহজ হচ্ছে। আজ থেকে ১০ বছর আগেও অনলাইনে ইনকাম করা স্বপ্নের মত ছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন আজকে সত্যি হচ্ছে। সারা পৃথিবীতে অনেক মানুষ শুধুমাত্র অনলাইন ইনকামের উপর ভিত্তি করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করছে।
বিশ্বের অধিকাংশ কার্যক্রম এখন অনলাইন ভিত্তিক হয়ে যাওয়ায় কাজের ক্ষেত্র বেড়েছে। এখন আপনাকে শুধু আপনার পছন্দমত সেক্টর খুঁজে বের করতে হবে। মজার ব্যাপার হল, অনলাইনে কাজ করতে কিংবা ইনকাম করতে বেশি কিছুর প্রয়োজন হয় না। এই কাজ করার জন্য শুধু আপনার প্রয়োজন একটি ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারনেট। সেটি হতে পারে একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন।
তবে একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, আপনি প্রথম দিন থেকে’ই লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আপনাকে ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে। ধীরে ধীরে আপনি সফল হবেন। এমনকি এটাও হতে পারে যে, আপনি অনেক সময় দিয়েছেন কিন্তু আমি সফল হতে পারেন নি। তবে আপনার যদি ধৈর্য থাকে, এবং আপনি যদি একটি নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী হয়ে উঠতে পারেন, সেক্ষেত্রে অনলাইন থেকে অনেক বড় পরিমানের অর্থ প্রতিমাসে ইনকাম করতে পারবেন। তাহলে আর দেরি নয়, চলুন আমরা অনলাইন থেকে ইনকাম করার সেরা ১০টি পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে নেইঃ-
১. সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও নিয়ে কাজ করুন:-
আমাদের দেশে অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভিডিও নিয়ে কাজ করা। দেশের অনেক মানুষ মিডিয়াতে ভিডিও তৈরি করে ইনকাম করতেছে। সোশ্যাল মিডিয়া গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ফেসবুক এবং ইউটিউব। এই সাইটগুলোতে সহজে’ই ভিডিও তৈরি করে আপলোড করা যায়। তারপর এতে মনিটাইজেশন জন্য এপ্লাই করতে হয়। এপ্রুভ হয়ে গেলে অ্যাড আসা শুরু করে। মানুষ আপনার ভিডিওটি দেখলে ইনকাম আসতে শুরু করে। তবে এই সোশ্যাল মিডিয়া দুইটার কিছু রিকোয়ারমেন্ট আছে।
যেমন- Youtube এ ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার হতে হবে এবং আপনার আপলোডকৃত ভিডিওগুলোর ওয়াচটাইম গত এক বছরে ৪০০০ (৪ হাজার) ঘন্টা হতে হবে। অথবা গত তিন মাসে আপনার চ্যানেলে শর্ট ভিডিও এর ভিউ সংখ্যা এক কোটি/১০ মিলিয়ন হতে হবে। আপনার যদি পর্যাপ্ত সময় থাকে এবং আপনি মজাদার ভিডিও তৈরি করতে পারেন। তাহলে আপনি এই সোশ্যাল সাইটগুলোতে আপনার চ্যানেল খুলে ইনকাম করতে পারেন। কিছুক্ষন ঘাটাঘাটি করলেই আপনি বিভিন্ন টিপস এন্ড ট্রিকস সম্পর্কে জানতে পারবেন। মানুষ যে সময় ফ্রি থাকে সেই সময় গুলোতে ভিডিও আপলোড দেওয়ার চেষ্টা করবেন। যেমন- ছুটির দিন, দুপুরে বিশ্রামের সময় অথবা রাতের বেলা যখন মানুষ ঘুমানোর পূর্বে সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকে।
২. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ
অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চাইলে আপনি কখনো’ই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কে বাদ দিতে পারবেন না। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে আমরা বুঝি যে, কোনো কোম্পানির পণ্য যদি আমরা বিক্রি করে দিতে পারি। তার বিনিময়ে কোম্পানি আমাদের যে কমিশন বা টাকা দেয় তাই হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এটি অন্যের পণ্য বা সেবা বিক্রির ব্যবস্থা করে কমিশন আয় করার পদ্ধতি ।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে ইনকামের সেরা ৫ টি টিপস |
দেশ-বিদেশের বিখ্যাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি বৃদ্ধির জন্য সাধারণ মানুষের সহায়তা নেওয়ার চেষ্টা করে। তারা প্রতিটি পণ্য বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট কিছু পরিমাণ কমিশন দিয়ে থাকে। মূলত অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই সুবিধা থাকে। যেমন- দিপান্তর ডট কম বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত বই বিক্রির ওয়েবসাইট। যদি আমি দিপান্তর ডট কম এর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যুক্ত থাকি এবং তাদের এক হাজার টাকা দামের একটি বই বিক্রি করি। তাহলে তারা তাদের নিয়ম অনুযায়ী ১০০ টাকা থেকে ২০০ টাকা আমাকে কমিশন দেবে। এভাবে আমি যদি ১০০ টাকা দামের দশটা বই বিক্রি করতে পারি তাহলে আমি ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমিশন পাব। এই যে তাদের পণ্য আমি বিক্রি করে দিচ্ছি এটাই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।
বাংলাদেশ থেকে আপনি দিপান্তর ডট কম, টেন মিনিট স্কুল, দারাজ, বহুব্রীহি ইত্যাদি ওয়েব সাইটে মার্কেটিং করতে পারবেন। সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক সাইট হিসেবে Amazon বিখ্যাত। আপনি এই সকল ওয়েবসাইটেও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারেন।
৩. অনলাইনে কোর্স বিক্রি করুনঃ-
আপনার যদি কোন বিষয়ে খুব দক্ষতা থাকে। যেমন- প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এ্যাপ ডেভলোপমেন্ট, ভিডিও ইডিটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, মার্কেটিং ইত্যাদি। তাহলে আপনি এ বিষয়ে ভিডিও তৈরি করে কোর্স আকারে বিক্রি করতে পারেন। আপনার যদি একটি কম্পিউটার থাকে। তাহলে আপনি খুব সহজেই কোর্স তৈরি করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন সফটওয়্যার এর সাহায্য নিতে পারেন।
কোর্স তৈরি করার পর আপনি ভিডিও প্যাকেজ আকারে বিভিন্ন উপায়ে সেল করতে পারবেন। খুব সহজে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটা কোর্স সেলিং ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। সেখানে আপনার কোর্স বিক্রি করতে পারবেন। অথবা আপনি বিভিন্ন সোশ্যাল সাইট ব্যবহার করে কোর্স টি প্যাকেজ আকারে ক্রেতার কাছে সেল করতে পারেন। এভাবে আপনি কোর্স বিক্রি করে অনলাইন থেকে আর্ন করতে পারবেন।
৪. অনলাইন সার্ভে করুনঃ-
বিশেষ করে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্যের এবং সার্ভিসেস এর উপরে প্রশ্ন করা হয়। কারণ, বেশিরভাগ কোম্পানি গুলি, তাদের কোম্পানির পণ্য বা সার্ভিসের প্রতি লোকেদের ধারণা বা প্রতিক্রিয়া কি, সেটা জানার জন্য এই সার্ভে ওয়েবসাইট গুলিকে টাকা দেন। অনলাইন থেকে ইনকাম করার মধ্যে অনলাইন সার্ভে অন্যতম একটি। উন্নত দেশগুলোতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে। যে সকল ওয়েবসাইটে মতামত প্রদান করার জন্য টাকা দেওয়া হয়। সেই সাইটগুলোতে আপনার মতামত জানিয়ে ইনকাম করতে পারবেন।
বাংলাদেশের সার্ভে যারা করে তারা সাধারণত ফেইক আইপি কিনে সার্ভে করে। এতে করে তাদের লোকেশন তারা যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যতে দেখায়। সেই দেশের নাগরিক হিসেবে এ্যাকাউন্ট তৈরি করে আয় করে। আপনি বিভিন্ন দেশীয় আইপি প্রোভাইডারের কাছ থেকে আইপি কিনে সার্ভে করতে পারবেন। যেমন- Viewpointpanel.com, Opinionnow.in, Paidviewpoints.com, Neobux.com।
৫. সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হোনঃ-
আপনার যদি মনে হয়, আপনি ভালোভাবে কথা বলতে পারেন। তাহলে আপনি এই মাধ্যমটি অবলম্বন করতে পারেন। মনে করেন আপনি বিভিন্ন বিষয় কথা বলতে পারেন। অথবা মোটিভেশনাল বক্তব্য দিতে পারেন। তাহলে আপনি বিভিন্ন বিষয় ভিডিও তৈরি করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি প্রথমে ফেসবুক প্রোফাইল বা ইউটিউব চ্যানেলে আপনার বক্তব্য প্রচার করতে থাকবেন। এভাবে আপনি আপনার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইন থেকে আর্ন করতে পারবেন।
একটা সময় আপনার বক্তব্য ভাইরাল হতে শুরু করবে। মানুষ আপনার কথা শুনতে থাকবে। আপনাকে ফলো করবে। তখন আপনি মনিটাইজেশনের মাধ্যমে এই ভিডিওগুলো থেকে ইনকাম করতে পারবেন। পাশাপাশি বিভিন্ন পেইড প্রমোশনের মাধ্যমে আপনার প্রোফাইল থেকে ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।এরপর যখন আপনার পরিচিতি অনেক বেড়ে যাবে। তখন আপনি বিভিন্ন প্রোডাক্ট সেল করে ইনকাম করতে পারবেন। এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন।
প্যাসিভ ইনকাম কি? প্যাসিভ ইনকাম করার সেরা ৫ টি উপায় |
মনে রাখতে হবে, একজন ইনফ্লুয়েন্সার হওয়ার মাধ্যমে আপনি অনেক বড় একটা ফ্যানবেজ ক্রিয়েট করছেন। এদেরকে আপনি প্রয়োজনে আপনার মত করে ব্যবহার করতে পারবেন। সুতরাং খুব সহজেই আপনি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার হতে পারেন। যার মাধ্যমে আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।
৬. ব্লগ ওয়েবসাইট তৈরি করুনঃ-
আপনি একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে সেখানে আপনার পছন্দমত একটি টপিকে লেখালেখি করতে পারেন। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, যাতে আপনার লিখার টপিকের আগ্রহ থাকে। এরপর আপনার ওয়েবসাইটে যখন অনেক অনেক ভিজিটর আসা শুরু করবে। তারপর গুগল এডসেন্স সহ অনেক বিজ্ঞাপন সাইট থেকে আপনার সাইটে এড যুক্ত করে ইনকাম করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইটে আপনি চাইলে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে পারবেন। ব্লগ সাইট তৈরির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি মাধ্যম হলো- ব্লগার এবং ওয়ার্ডপ্রেস।
৬. ফ্রিল্যান্সিংঃ-
ফ্রিল্যান্সিং একটি মুক্ত পেশা। বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে অনলাইনে সেবা প্রদান করাকে মূলত ফ্রিল্যান্সিং বলে। আপনার ইচ্ছা মতো কাজ করতে পারবেন। ক্লায়েন্ট আপনাকে যে কাজ দিবে সেটা করা শেষে আপনি স্বাধীন। কেউ আপনাকে কাজ করতে বলবে না। সারাদিন ফ্রিতে ঘুরলেও কেউ কিছু বলবে না। আপনি কাজ করলে টাকা পাবেন। না করলে পাবেন না। আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন বা এ ধরনের কোনো বিশেষ দক্ষতা অর্জন করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে ফ্রিল্যান্সিং করে ইনকাম করা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে পূর্বশর্ত হচ্ছে আপনাকে অনেক দিন সময় দিয়ে যে কোন একটি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপনার অর্জিত দ্ক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অনলাইনে মানুষকে সেবা প্রদানের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন।
৮. ই-কমার্সঃ-
আজকাল মানুষ অনলাইনে অনেক কেনাকাটা করেন। আপনি পর্যালোচনা করে দেখতে পারেন যে, দেশের মানুষ কোন ধরনের পণ্য কিনতে বেশি আগ্রহী। আপনি সেই বিষয়ে একটি অনলাইন শপ/ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। সেই পণ্য যারা উৎপাদন করে তাদের কাছ থেকে কিনে আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারেন। এভাবে আপনি ই-কমার্স ওয়েবসাইট/ফেসবুক পেইজ তৈরি করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন।
৯. ডোমেইন-হোস্টিং কেনা-বেচা করণঃ-
আপনি যদি এখন ফেসবুক ডট কম নামে ডোমেইন কিনতে চান তাহলে পারবেন না। কারণ, একটা ডোমেইন একজন’ই কিনতে পারে। প্রতিদিন শতশত ডোমেইন সারা বিশ্বব্যাপী বিক্রি হয়। কিন্তু এগুলার মেয়াদ এক বছর। এক বছর পরে আপনাকে অবশ্যই রিনিউ করতে হবে। মজার ব্যাপারটা হচ্ছে, মাঝারি লেভেলের অনেক কোম্পানি তাদের ব্যস্ততার মধ্যে রিনিউ করতে ভুলে যায়। ফলে আপনি যদি তাদের রিনিউ করার আগে আবার তাদের ডোমেইনটি কিনে ফেলতে পারেন। তাহলে এক বছর দখল করে রাখতে পারবেন। কিন্তু যেহেতু তাদের কোম্পানি তারা কন্টিনিউ করতে চায়, তাই তাদের এই ডোমেনটা দরকার। তখন তারা আপনাকে নক করবে। আপনি যে দামে কিনেছেন তার থেকে বেশি দামে তাদের কাছে বিক্রি করে দিবেন। এভাবে আপনি অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন। এছাড়াও আপনি ডোমেইন হোষ্টিং রিসেল করে আর্ন করতে পারেন।
১০. বই লিখুনঃ-
আপনার যদি লেখা-লিখির দক্ষতা ভালো থাকে। তাহলে আপনি এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারবেন। প্রথমে আপনি যে কোন একটি বিষয় একটি বই লিখে ফেলুন। আপনি আপনার কম্পিউটারে/ল্যাপটপে অথবা আপনার মোবাইলের নোটপ্যাডে লিখুন। এরপর লিখাটি নিয়ে বিভিন্ন প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সোশ্যাল মিডিয়া/সার্চ ইঞ্জিন থেকে তাদের ইমেইল এড্রেস জোগাড় করে মেইল করতে থাকুন। অথবা তাদের নাম্বারে কল দিয়ে কথা বলুন। তাদের সঙ্গে বই প্রকাশের ব্যাপারে আলোচনা করুন। তারা নিজেরা বই প্রিন্ট করবে, বাঁধাই করবে, বই মেলাতে সেল করবে। প্রতিটি বই বিক্রির জন্য আপনাকে কমিশন দিবে। এভাবে আপনি বই লিখে ইনকাম করতে পারবেন।
ছাত্রজীবনে ইনকাম করার সহজ ১০ টি উপায় |
তবে মনে রাখবেন অবশ্যই আপনার লিখা আকর্ষণীয় এবং সুন্দর হতে হবে। অন্যথায় কোনো প্রকাশনী আপনার লিখা নিয়ে বই প্রকাশে আগ্রহ দেখাবে না। এমনও হতে পারে প্রথমে নিজ খরচে আপনাকে বই বের করতে হবে। আপনি ১০টি পদ্ধতি থেকে যেকোনো একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন।
আশা করি লেখাটি আপনার ভালো লেগেছে। আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। কথা হবে আবার কোনো নতুন আর্টিকেলে। ধন্যবাদ।
Onek valo kothagulo…I like it.
ধন্যবাদ আপনাকে।
It is good thing i wish one day it’s more than gro up
ইনশাআল্লাহ
ভাই আমি রাজি এই কাজে
জ্বি কাজ করতে পারবেন।
Good job
ধন্যবাদ, ইনকামের সেরা ১০ টি উপায় শেয়ার করার জন্য
Jekono 2/1 tay lege thaklei valo profit earn kora jay